আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি। কাব্যগ্রন্থের নামকবিতা। এ কবিতায় কবির ইতিহাস ও ঐতহ্যবোধ, কবিতা, দেশ, মাটি, মানুষ এবং স্বজাতিপ্রেম আর মানবধারার ধারাবাহিকতার প্রতি, সুন্দরের প্রতি, শুভ ও কল্যাণের প্রতি, সংগ্রাম ও সাধনার প্রতি সর্বোপরি জীবনের। প্রতি গভীর আকর্ষণ প্রকাশ পেয়েছে ।
বাংলাদেশের কবিদের কবি নির্মলেন্দু গুণ। নারীপ্রেম, সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, শ্রেণি-সংগ্রাম, স্বৈরাচার বিরোধিতা ইত্যাদি বিষয় তাঁর কবিতার মূল বিষয়বস্তু। সমাজকে তিনি তুলে এনেছেন সাহিত্যের আয়নায়।
নির্মলেন্দু গুণ ২১ জুন, ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ডাক নাম-রতন / রত্ন/রতু।
তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮২), একুশে পদক (২০০১) পান।
নিজ গ্রাম কাশবনে 'বিদ্যানিকেতন' নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
মেট্রিক পাশের আগেই তার প্রথম কবিতা 'নতুন কাণ্ডারী' নেত্রকোনার 'উত্তর আকাশ' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
নির্মলেন্দু গুণকে কবিদের কবি নামে ডাকা হয় । নির্মলেন্দু গুণ গত শতাব্দীর ষাটের দশকে কবিতা রচনা শুরু করেন। পরের দশকেই তাঁর কবিতা এতটাই প্রভাববিস্তারী হয়ে ওঠে যে, তরুণরা তাঁর কবিতা পড়েই কবি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা বোধ করেন। বাংলাদেশে আর কোনো কবি অনুজ কবিদের ওপর এতোটা প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। সত্তর দশকের অনেক প্রতিষ্ঠিত কবি নির্মলেন্দু গুণ এর প্রভাবেই কবি হয়েছেন। তাই তাঁকে কবিদের কবি বলা হয়।
তাঁর কাব্যগ্রন্থসমূহঃ
'প্রেমাংশুর রক্ত চাই' (১৯৭০): এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
'ইসক্রা' (১৯৮৪): এ কাব্যে তাঁর রাজনৈতিক কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে।